দ্রুত টাইপ করতে পারাটা এখন একটি দক্ষতা। বর্তমানে এ দক্ষতার কদর রয়েছে। দ্রুত টাইপ করতে না পারায় অনেক সময়ের অপচয় হয়। সংক্ষেপে যদি দ্রুত টাইপ করার ‘গোপন রহস্য’ প্রকাশ করতে বলা হয়, তবে মনে রাখতে হবে যে এর জন্য আসলে তেমন কোনো
Showing posts with label কম্পিউটার. Show all posts
Showing posts with label কম্পিউটার. Show all posts
আপনি কি Pendrive থেকে উইনডোজ দিতে চাচ্ছেন । ISO File বানানোর Full version Software এখনি ডাউনলোড করে নিন
আসসালামু আলাইকুম। আশাকরি সবাই ভালোই আছেন আমিও আপনাদের দোয়ায় ও আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি। আজকে কি নিয়ে লিখবো আশা করি নাম দেখে বুঝে গেছেন । যদি কেউ এই টিপসটি জেনে থাকেন তাহলে দয়া করে কোন খারাপ মন্তব্য করবেন না ।
সংগ্রহে রাখুন কিছু প্রয়োজনীয় MS Word কী বোর্ড শর্ট কাট

বন্ধুরা আবার ফিরে এলাম কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় MS Word কী বোর্ড শর্ট কাট নিয়ে যা MS Word এর কাজকে গতিশীল করে তুলবে তাতে কোন সন্দেহ নাই । শুধু MS Word এ নয় কম্পিউটারের যে কোন ক্ষেত্রে দ্রুত কাজ করার জন্য কী বোর্ড শর্ট কাট অতি প্রয়োজন । কারণ মাউস ব্যবহার করে যে কাজটি করতে ৫ মিনিট সময়
এক সফটওয়্যার দিয়েই পিডিএফ পড়ুন,তৈরী করুন ইডিট করুন তাও আবার এডবি রিডার থেকে অনেক দ্রুতগতিতে।
ফক্সিট রিডারের মতোই দ্রুতগতিতে এটিতে পিডিএফ পড়তে পারবেন তবে প্রাথর্ক্য হলো আপনি এটি দিয়ে ৩০০+ এর বেশি ফাইল থেকে পিডিএফ তৈরী করতে পারবেন আবার পিডিএফ ফাইল
আপনার পেনড্রাইভ কে কম্পিউটার এর চাবি হিসেবে ব্যাবহার করুন।
এখানে আমি আপনাকে দেখাবো আপনি আপনার পেনড্রাইভ কে চাবি হিসেবে ব্যাবহার করতে পাবেন... অর্থাৎ যতক্ষন পেনড্রাইভ লাগানো থাকবে ততোক্ষন কম্পিউটার চলবে... তাহলে শুরু করি...
ফাইল ফোল্ডার ডিলিট না হলে কি করবেন
কম্পিউটারে কখনো কখনো এমন কিছু ফাইল বা ফোল্ডার তৈরি হয়, যেগুলো মুছে ফেলা (ডিলিট) যায় না। ফাইল মোছা না গেলে সেটি বেশ বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু এসব ফাইলও ডিলিট করা যাবে।
এ কাজটি করতে অবশ্যই উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের কমান্ড প্রম্পট বিষয়ে জানতে হবে এবং ফাইল ফোল্ডারের ডিরেক্টরি সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকতে হবে। প্রথমে স্টার্ট মেনুতে গিয়ে cmd লিখুন। cmd.exe এলে ডান ক্লিক করে Run as administrator নির্বাচন করে খুলুন। কমান্ড প্রম্পটের উইন্ডোকে ছোট করে (মিনিমাইজ) রেখে Ctrl+Alt+Del চেপে টাস্ক ম্যানেজার চালু করুন। আবার ডেস্কটপের নিচের টাস্কবারে ডান ক্লিক করে Start Task Manager-এ ক্লিক করে চালু করুন। কম্পিউটারে explorer.exe চালু থাকলে কাঙ্ক্ষিত ফাইলকে মোছা যায় না, তাই এটিকে বন্ধ করতে Process ট্যাবে গিয়ে explorer.exe খুঁজে নিয়ে তাতে ডান ক্লিক করে End Process Treeতে ক্লিক করুন। একটি বার্তা আসবে। সেটিতে আবার End Process চাপুন। এবার কমান্ড প্রম্পটের উইন্ডোতে ফিরে আসুন। আপনার যে ড্রাইভে ফাইলটি আছে, সেটির ডিরেক্টরি এখানে লিখে দিতে হবে।
আপনার ফাইলটি যদি D: ড্রাইভে থাকে, তাহলে এখানে cd D: লিখে এন্টার করুন। cd কমান্ড দেওয়ায় D: ড্রাইভে থাকা ফাইল পাওয়া যাবে। এবার যে ফাইলটি মুছে ফেলতে চান, সেটির জন্য এখানে ফাইলের যেমন del D:\Software\SuperCopier22beta.exe লিখে এন্টার চাপুন। খেয়াল করুন এখানে del সংকেত দিয়ে ফাইল মুছবে আর পরের অংশটি ফাইলের ডিরেক্টরি। তাই এখানে আপনার কাঙ্ক্ষিত ফাইলের ডিরেক্টরি বসিয়ে নিয়ে করুন। (যেমনঃ আমি D ড্রাইভ এর Software ফোল্ডার এর SuperCopier22beta.exe নামের ফাইল টি ডিলিট করেছি)
এ কাজটি করতে অবশ্যই উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের কমান্ড প্রম্পট বিষয়ে জানতে হবে এবং ফাইল ফোল্ডারের ডিরেক্টরি সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকতে হবে। প্রথমে স্টার্ট মেনুতে গিয়ে cmd লিখুন। cmd.exe এলে ডান ক্লিক করে Run as administrator নির্বাচন করে খুলুন। কমান্ড প্রম্পটের উইন্ডোকে ছোট করে (মিনিমাইজ) রেখে Ctrl+Alt+Del চেপে টাস্ক ম্যানেজার চালু করুন। আবার ডেস্কটপের নিচের টাস্কবারে ডান ক্লিক করে Start Task Manager-এ ক্লিক করে চালু করুন। কম্পিউটারে explorer.exe চালু থাকলে কাঙ্ক্ষিত ফাইলকে মোছা যায় না, তাই এটিকে বন্ধ করতে Process ট্যাবে গিয়ে explorer.exe খুঁজে নিয়ে তাতে ডান ক্লিক করে End Process Treeতে ক্লিক করুন। একটি বার্তা আসবে। সেটিতে আবার End Process চাপুন। এবার কমান্ড প্রম্পটের উইন্ডোতে ফিরে আসুন। আপনার যে ড্রাইভে ফাইলটি আছে, সেটির ডিরেক্টরি এখানে লিখে দিতে হবে।
আপনার ফাইলটি যদি D: ড্রাইভে থাকে, তাহলে এখানে cd D: লিখে এন্টার করুন। cd কমান্ড দেওয়ায় D: ড্রাইভে থাকা ফাইল পাওয়া যাবে। এবার যে ফাইলটি মুছে ফেলতে চান, সেটির জন্য এখানে ফাইলের যেমন del D:\Software\SuperCopier22beta.exe লিখে এন্টার চাপুন। খেয়াল করুন এখানে del সংকেত দিয়ে ফাইল মুছবে আর পরের অংশটি ফাইলের ডিরেক্টরি। তাই এখানে আপনার কাঙ্ক্ষিত ফাইলের ডিরেক্টরি বসিয়ে নিয়ে করুন। (যেমনঃ আমি D ড্রাইভ এর Software ফোল্ডার এর SuperCopier22beta.exe নামের ফাইল টি ডিলিট করেছি)
এবার আসি ফোল্ডার কিভাবে ডিলিট করবেন। কোনো ফোল্ডার মুছতে চাইলে RD /S /Q d:\Software\Demo—এভাবে লিখে এন্টার করুন। এখানে RD /S /Q ফাইল মুছে ফেলার সংকেত (কমান্ড) আর পরের অংশটি আপনার কাঙ্ক্ষিত ফোল্ডারের ডিরেক্টরি। (যেমনঃ আমি D এর Software ফোল্ডার এর ভিতর Demo নামের ফোল্ডার টি ডিলিট করেছি)
বুঝতে সমস্যা হলে নিচের স্ক্রীনশট টি দেখুন। আশা করি সব বুঝতে পারবেন।
কমান্ড লেখায় কোনো ভুল হলে কাজটি হবে না, তাই বুঝেশুনে প্রয়োগ করুন। কাজটি হলে এবার টাস্ক ম্যানেজারে ফিরে আসুন। এখানে File থেকে New Task (Run…)-এ ক্লিক করুন। Create New Task-এর ঘরে explorer.exe লিখে এন্টার চাপুন। তাহলে এক্সপ্লোরার চালু হয়ে যাবে আর কম্পিউটারের বাকি অন্যান্য কাজ করা যাবে।
যে কোনো অফিস প্রোগ্রাম ফাইল ও ওয়েবপেজ কে পিডিএফ করুন দুই ক্লিকে ৩মেগা সাইজের সফ্টয়্যার দিয়ে!!
আজ আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে সহজেই মাত্র দুই ক্লিকে মাইক্রোসফ্ট অফিস,এক্সেল,পাওয়ার পয়েন্ট সহ যে কোন ওয়েবপেজ কে পিডিএফ এ কনভার্ট করে রাখতে পারেন।
যা যা দরকার: অফিস ফাইলের ক্ষেত্রে:
১. প্রথমে এখান থেকে ডু-পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করুন।
২. সেটাপ করে নিন
৩. এবার সফ্টয়্যারটি ওপেন করুন।
৪. এবার যে ফাইলটি পিডিএফ করবেন সেটি নিচের ছবির মত ব্রাউজ করে ক্রিয়েটে ক্লিক করুন।
৫. তারপর নিজের ছবির মত আসলে ওকে ক্লিক করুন।
যা যা দরকার: অফিস ফাইলের ক্ষেত্রে:
১. প্রথমে এখান থেকে ডু-পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করুন।
২. সেটাপ করে নিন
৩. এবার সফ্টয়্যারটি ওপেন করুন।
৪. এবার যে ফাইলটি পিডিএফ করবেন সেটি নিচের ছবির মত ব্রাউজ করে ক্রিয়েটে ক্লিক করুন।
৫. তারপর নিজের ছবির মত আসলে ওকে ক্লিক করুন।
৬. ব্যাস আপনার ফাইলটি এখন পিডিএফ-এ রুপান্তরিত।
ওয়েবপেজের ক্ষেত্রে:
১. প্রথমে যে পেজ পিডিএফ করবেন সেই পেজে যান।
২. এবার CTRL+P চাপুন অথবা FILE থেকে PRINT এ যান।
৩. এবার প্রিন্টার সিলেক্টে-এর জায়গায় ডু-পিডিএফ প্রিন্টার সিলেক্ট করুন।
৪. এবার প্রিন্ট দিন
৫. দেখবেন আপনার ডকুমেন্ট ফোল্ডারে সেই পেজটি পিডিএফ আকারে দেখতে পারবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
১. প্রথমে যে পেজ পিডিএফ করবেন সেই পেজে যান।
২. এবার CTRL+P চাপুন অথবা FILE থেকে PRINT এ যান।
৩. এবার প্রিন্টার সিলেক্টে-এর জায়গায় ডু-পিডিএফ প্রিন্টার সিলেক্ট করুন।
৪. এবার প্রিন্ট দিন
৫. দেখবেন আপনার ডকুমেন্ট ফোল্ডারে সেই পেজটি পিডিএফ আকারে দেখতে পারবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
আজ এই পর্যন্তই। আবার দেখা হবে পরের টিউনে।
[১০ সেকেন্ডে পিসি স্টার্ট করুন]
![[১০ সেকেন্ডে পিসি স্টার্ট করুন] [১০ সেকেন্ডে পিসি স্টার্ট করুন]](http://4.bp.blogspot.com/-73e3hFZ3R1w/U8aAAbc4PsI/AAAAAAAAEYo/WmYe7bx-uo0/s1600/no-image.png)
নরমালি পিসি স্টার্ট হতে বেশ কিছুক্ষন সময় নেয়। এটা বেশ বিরক্তিকর একটা ব্যাপার। কিন্তু আমরা চাইলে একটা উপায়ে পিসি স্টার্ট হওয়ার টাইমটা কমিয়ে নিতে পারি। সেজন্য নিচের স্টেপগুলা ফলো করুন
→ Run এ গিয়ে regedit লিখুন
→ তারপর HKEY_LOCAL_MACHINE এ যান
→ এরপর System এ যান
→ এরপর Content index এ যান
→ এরপর ডান পাশে Startup Delay তে গিয়ে Decimal সিলেক্ট করে vyalu তে ৪০০০০ দিন।
→ এরপর পিসি রিস্টার্ট করুন
→ দেখবেন যে পিসি আগের চেয়ে দ্রুত স্টার্ট হচ্ছে
ধন্যবাদ। বুঝতে কোন সমস্যা থাকলে বা কিছু জানতে চাইলে এখানে কমেন্ট করুন অথবা ফেইসবুকে আমার সাথে যোগাযোগ করুন। যথাসম্ভব হেল্প করব ইন শা আল্লাহ
→ ফেইসবুকে আমি ←
→ Run এ গিয়ে regedit লিখুন
→ তারপর HKEY_LOCAL_MACHINE এ যান
→ এরপর System এ যান
→ এরপর Content index এ যান
→ এরপর ডান পাশে Startup Delay তে গিয়ে Decimal সিলেক্ট করে vyalu তে ৪০০০০ দিন।
→ এরপর পিসি রিস্টার্ট করুন
→ দেখবেন যে পিসি আগের চেয়ে দ্রুত স্টার্ট হচ্ছে
ধন্যবাদ। বুঝতে কোন সমস্যা থাকলে বা কিছু জানতে চাইলে এখানে কমেন্ট করুন অথবা ফেইসবুকে আমার সাথে যোগাযোগ করুন। যথাসম্ভব হেল্প করব ইন শা আল্লাহ
→ ফেইসবুকে আমি ←
আপনার পিসি অথবা Laptop এর Mother Board এর Disc হারিয়ে গেছে এর কারনে Driver Update দিতে পারছেন না আসুন অন্য উপায়ে ড্রাইভার আপডেট দেওয়া শিখি।
সবাইকে আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ পোস্টটি কস্ট করে দেখতে আসার জন্য।
মুল কথায় আসি,
আমাদের ডেক্সটপ এবং ল্যাপটপ এর অনেক সময় ড্রাইভার আপডেট করার প্রয়োজন হয় তখন দরকার হয় Motherboad এর ডিস্ক কিন্তু দুর্ভাগ্য বশত দেখা যায় অনেকের কাছে এটা থাকেনা বা নস্ট হয়ে যায় তখন অনেক খোজাখুজি করে দোকান থেকে all driver এর Disk কিনে আনি, অনেকের কাজ হয় অনেকের হয়না।
মাদারবোর্ড এর ডিস্ক কেন দরকার:
Sound card, graphics card (AGP), Lan, Wifi Adapter, etc ড্রাইভ গুলোর High Performance পাওয়ার জন্য অথবা ড্রাইভগুলো সচল করার জন্য।
অবশ্য উইন্ডোজ 7 and upper Version auto driver update দেওয়া থাকে xp চালকদের হয় সমস্যা। আবার পুরনো মডেলের ল্যাপটপ এর wifi driver Update না দিলে হটস্পট চালানো যায়না। তাই এই ট্রিক ব্যবহার করে latest version er Driver আপডেট করতে পারবেন।
অনেক দৌড়ানো হইছে আর দরকার নেই।
কাজের কথায় আসি যা লাগবে -
1. Driver Booster (Iobit)
2. internet Connection And some moments.
প্রথমেই ডাউনলোড করে নিন Driver Booster এখান থেকে।
driver_booster_setup.exe
তারপর install দিয়ে ফেলুন জলদি করে।
সদ্য install দেওয়া Driver Booster রান করুন / অপেন করুন।
এখন Scan Button এ ক্লিক করুন।
Scan শেষ হলে আপনার যে ড্রাইভার গুলোর আপডেট দরকার তা দেখাবে আপনি সুধু Update এ ক্লিক করে দিবেন বাকিটা নেট এবং সফটওয়ার সামলে নিবে।
এবার চিন্তার বিষয় হলো Mb কেমন কাটবে। যদি সব ড্রাইভার হয় তাহলে ২৫০-৩০০ Mb খরচ হবে। ড্রাইভার গুলো ইচ্ছা হলে Backup করতে পারবেন।
মুল কথায় আসি,
আমাদের ডেক্সটপ এবং ল্যাপটপ এর অনেক সময় ড্রাইভার আপডেট করার প্রয়োজন হয় তখন দরকার হয় Motherboad এর ডিস্ক কিন্তু দুর্ভাগ্য বশত দেখা যায় অনেকের কাছে এটা থাকেনা বা নস্ট হয়ে যায় তখন অনেক খোজাখুজি করে দোকান থেকে all driver এর Disk কিনে আনি, অনেকের কাজ হয় অনেকের হয়না।
মাদারবোর্ড এর ডিস্ক কেন দরকার:
Sound card, graphics card (AGP), Lan, Wifi Adapter, etc ড্রাইভ গুলোর High Performance পাওয়ার জন্য অথবা ড্রাইভগুলো সচল করার জন্য।
অবশ্য উইন্ডোজ 7 and upper Version auto driver update দেওয়া থাকে xp চালকদের হয় সমস্যা। আবার পুরনো মডেলের ল্যাপটপ এর wifi driver Update না দিলে হটস্পট চালানো যায়না। তাই এই ট্রিক ব্যবহার করে latest version er Driver আপডেট করতে পারবেন।
অনেক দৌড়ানো হইছে আর দরকার নেই।
কাজের কথায় আসি যা লাগবে -
1. Driver Booster (Iobit)
2. internet Connection And some moments.
প্রথমেই ডাউনলোড করে নিন Driver Booster এখান থেকে।
driver_booster_setup.exe
তারপর install দিয়ে ফেলুন জলদি করে।
সদ্য install দেওয়া Driver Booster রান করুন / অপেন করুন।
এখন Scan Button এ ক্লিক করুন।
Scan শেষ হলে আপনার যে ড্রাইভার গুলোর আপডেট দরকার তা দেখাবে আপনি সুধু Update এ ক্লিক করে দিবেন বাকিটা নেট এবং সফটওয়ার সামলে নিবে।
এবার চিন্তার বিষয় হলো Mb কেমন কাটবে। যদি সব ড্রাইভার হয় তাহলে ২৫০-৩০০ Mb খরচ হবে। ড্রাইভার গুলো ইচ্ছা হলে Backup করতে পারবেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)

